Wikipedia
Search results
Pageviews
নিচের FOLLOW BUTTON টির দ্বারা আপনি ওয়েবসাইটটি FOLLOW করতে পারেন।
Wednesday, 5 August 2026
Home
/
ঝন্টু ও ঝঞ্ঝাট
/
শিশু সাহিত্য
/
মরার আংটি / বাংলা গল্পসল্প নিবেদিত ঝন্টু ও ঝঞ্ঝাট সিরিজের গল্প / ছোটোদের গল্প / শিশুসাহিত্য।
মরার আংটি / বাংলা গল্পসল্প নিবেদিত ঝন্টু ও ঝঞ্ঝাট সিরিজের গল্প / ছোটোদের গল্প / শিশুসাহিত্য।
এই কিছুদিন হল বর্ষাটা কেটে গেছে, এখন শরৎ আর বর্ধমানে হেমন্ত আদৌ আছে বলে তো মনেই হয়না । এই বর্ষায় গোটা বর্ধমানে যাচ্ছেতাই বৃষ্টি হয়েছে । গত কয়েক সপ্তায় বাঙলার মানুষদের ভীষণ নাজেহাল হতে হয়েছে । মাত্র দুদিনের বৃষ্টিতেই বাবুরবাগের উত্তরদিকে লহরটা ডুবে গেছিল প্রায় এক হাঁটু, তবে বন্যার পরিস্থিতি হয়নি কারন বর্ধমান মিউনিসিপালিটির উদ্যোগে আগে থেকেই জল-নিকাশি ব্যবস্থার উপর ভালো কাজ হয়েছিল ।
এই শরতে চারিদিকে পূজোর আমেজ । কিন্তু বর্ষাটা যে একেবারেই চলে গেছে একথা বলা যায় না কারণ এই শরতেও মাঝেমধ্যেই ঝিরঝিরে বৃষ্টির ছিটেফোঁটা লেগেই আছে। এবারের মহালয়াটা বৃষ্টির মধ্যেই গেল। কাল বাদ পরশু পূজোর ছুটি পড়ে যাবে। সুতরাং ঝন্টুর খুশি আর দ্যাখে কে ?
চারিদিকে পূজার প্যান্ডেলগুলোর ফিনিশিং টাচ্ চলছে। এবারে শ্যামলালের পূজোর থিম হল - "সেভ ওয়াটার, সেভ ওয়ার্ল্ড।" থিমটা কি এবারের মতো ঠিক হল ? বোধহয় 'সেভ ফ্রম ওয়াটার' হলেই ভালো হতো !
স্কুল ছুটি হতেই ঝন্টু, পটা আর কামরান সোজা চলে গেল শ্যামলালের পূজোমন্ডপ দেখতে। স্কুল চলাকালীন ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল - এখনও থামেনি। এরই মাঝে কোনোরকম মন্ডপের কাজ চলছে। কামরান আজও ছাতা নিয়ে আসেনি তাই আবার পটার ছাতায় সে ঠাঁই নিল আর ঝন্টু নিজের ছাতার তলায়।
তারপর পটা বলল,
- "চ্ বাড়ি ফিরি, জোরে বৃষ্টি নামলে পুরো ভিজে যাবো। কাল ব্যাগটা ভিজে গেইছিল, আর বইগুলোও। ঘরে হেব্বি ক্যালানি খেয়েছি ভাই।"
- কামরান বলল, চল্ তাইলে।
তিনজন মিলে বাড়ির দিকে রওনা দিল। তিনজনারই পায়ে হাওয়াই চটি, চলতে চলতে খালি চ্যাটাং চ্যাটাং শব্দ হচ্ছে। কাদা ছিটকে পিছনে একেবারে প্যান্ট অবদি উঠে যাচ্ছে, তাই ধীরে ধীরে পা টিপে টিপে চলতে হচ্ছে।
এইভাবে চলতে চলতে তারা মেডিকেল মাঠটা পেরিয়ে এক নম্বর কোয়ার্টারের কাছে এসে হঠাৎ থমকে দাঁড়াল। কোয়ার্টারের পিছনে একেবারে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে দুখানা কদমগাছ আর তাতে প্রচুর কদম হয়েছে। দেখেই চোখ জুড়িয়ে যায়।
তক্ষণই কামরান বলে উঠলো,
- "চ্ কটা কদম পেড়ে নিই।"
পটা বলল, "তুই গাছে চাপবি নাকি ? গাছ ভিজে স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। চাপতে পারবি না। তার চে ভালো চ্ নিচে খুঁজে দেখি গা, যদি পড়ে থাকে।"
সেইমতো ওরা কদম গাছের তলায় এসে কদম খোঁজাখুঁজি করতে লাগল কিন্তু একটাও ভালো কদম পেল না। যা পেল সবই আধখেকো আর পচা। কামরান ঢিল ছুড়তে লাগলো কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হলো না।
ঝন্টু বলল, 'একটা লগা-টগা পেলে ভালো হতো বল ভাই।' পটা ঝন্টুর কথায় মাথা নেড়ে সায় দিল। কিন্তু লগা পাই কোথায় ? একটা লাঠিও পর্যন্ত মেলেনা।
ঝন্টু বলল, "চল ভাই, বাড়ি চল্। ছুটির দিনে কদম পাড়তে আসবো।"
কিন্তু কামরান নাছোড়বান্দা - বলল, "তার আগেই দেখবি অন্যরা এসে সব পেড়ে নিয়ে গেছে। একটাও পাবিনা। বরং একটা কাজ কর্। তোরা দুজনার মিলে আমার পিছনটা ধরে ঠ্যালা দে আর আমি গাছে উঠে পড়ি।"
কামরানের কথা মতোই ঝন্টু ও পটা দুজনেই পিছন থেকে কামরানকে ঠেলতে লাগলো। কামরান গাছে ওঠার জন্য জি-জান লাগিয়ে দিল। কিন্তু কিছুতেই চড়তে পারে না। খালি স্লিপ খায়। আবার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু ফলাফল সেই একই। ঝন্টু প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে গেল। এটা যেন একটা জুলুমবাজী। তবুও কোনো রকম ঠিলেই চলেছে।
ঠিক এমন সময় কি একটা ঝকমকে জিনিস চিক্ চিক্ করে উঠলো কদমগাছটার গোঁড়ায়। ঝন্টু হঠাৎ করেই জিনিসটাকে তুলতে গেল। আর অমনি হুড়মূড় করে হুমড়ি খেয়ে কামরান পড়ল একেবারে পটার ওপর। দুজনায় চিৎপটাং । জিনিসটাকে হাতে করে নিয়ে লেগে থাকা কাদাগুলোকে ঝেড়ে ফেলল ঝন্টু । তারপর জিনিসটা দেখে ঝন্টুতো একেবারে থ । বাকিদেরও ঐ একি অবস্থা । পটার চাওয়াতে ঝন্টু জিনিসটা পটার হাতে দিল । তারপর পটাও ভালো করে বস্তুটিকে খুঁটিনাটি দেখে নিল । জিনিসটা হলো একটি সোনার আংটি ।
আংটিটা দেখামাত্র কামরানের আর তর্ সইলো না - আংটিটা পটার হাত থেকে প্রায় কেড়ে নিয়ে বলল, "কই দেখি দেখি ।" - এই বলে কয়েকবার উল্টেপাল্টে ভালে করে দেখে নিয়ে বারদুয়েক জামা দিয়ে ভালো করে মুছে নিয়ে আংটিটাকে আরো চকচকে করে তুলল ।
সোনার আংটিটি তিনজনার মনের অবস্থাকে স্বর্ণময়ী করে তুলল। কিন্তু কামরানের মনের মধ্যে এই লোভ ভয়ঙ্করভাবে বেড়ে গেল । আংটিটা হাতানোর জন্য নানান ভন্দিফিকির আঁটতে লাগল কামরাম । কামরান ভাবতে লাগল কিভাবে, কি উপায়ে এই আংটিটা হাতানো যায় ।
এময় সময় পটা বলল, 'ভাই ঝন্টু ! তুই আমাদের ভাগ্য খুলে দিলি । এটা বেচে অনেক টাকা পাওয়া যাবে ভাই । আর তা দিয়ে নতুন ব্যাট, নতুন বল আবার উইকেটও কেনা হবে, ভালো একটা ফুটবল ও আমাদের একটা করে জার্সি হবে । বাকি টাকাটা ভবিষ্যতের জন্য রেখে দুবো - বুঝলি ভাই !'
ঝন্টু হাঁ করে পটার কথাগুলো গিলতে লাগল আর খুশিতে ওর চোখদুটো জ্বলজ্বল করে উঠলো । কিন্তু কামরানের বাঁকা চোখ ওদের দিকে স্থির হয়ে পিটপিট্ করতে লাগল । পটার প্লানিংটা কামরানের মোটেও যে পছন্দ হয়নি, তার অঙ্গভঙ্গিতেই তা স্পষ্ট বোঝো গেল । কারন কামরানের প্লানিংটা একটুও পটার প্লানিং-এর সাথে খাপ খাচ্ছিল না । কামরানের ইচ্ছে - পুরো টাকাটাই ভালোমন্দ খেয়ে উড়িয়ে দেওয়ার । কিন্তু সে গুঁড়ে বালি ! কারন আঙটি পেয়েছে ঝন্টু । সুতরাং আঙটির উপর সবথেকে বেশি সত্ত্বাধিকার ঝন্টুর । তারপর পটার আর কামরানের । তাই ঝন্টু যা বলবে তাই হবে । এদিকে ঝন্টু পটার সাথে একমত । সুতরাং সিদ্ধান্ত হয়ে গেল ।
হঠাৎ কামরানের মনে কিছু একটা বিষয়ে খটকা হলো । তারপর আঙটিটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলো । নখ দিয়ে আঙটিটাকে ঘষতে লাগল । ঝন্টু ও পটা দুজনায় ব্যাপরাখানা দেখে প্রায় একসাথে বলে উঠল,
- ''কি হল রে কামরান !''
কামরান কিন্তু কারো কথায় কান দিল না । আরো জোরে জোরে ঘষতে লাগলো । তারপর হঠাৎই একখানা ইটের টুকরো হাতে তুলে নিয়ে তা দিয়ে আঙটিটাকে সজোরে ঘষতে শুরু করে দিল । পটা কামরানকে আঁটকানোর চেষ্টা করল কিন্তু কামরান ঝিনকিয়ে পটার হাতখানা সড়িয়ে দিল ।
তারপর যা হল তা দেখে তিনজনায় অবাক - আঙটির ঘষা দিকটা থেকে সোনালি রঙ খসে গেল এবং স্পষ্ট হয়ে গেল যে এটা সোনা নয় বরং ইমিটেশন ।
আঙটির এই পরিণতি দেখে কামরান হো হো করে হাসতে লাগল আর বলল,
"পটা তোর কপাল খারাপ ভাই ! তোর প্লান ফেল !"
পটা ও ঝন্টুর মুখে বিষন্নতার করুণ ছাপ ফ্যাকাশে লালচে মতো হয়ে এলো । এতেও কামরানের স্বাদ মিটলো না। এর সাথে জুড়ে দিল একটা ভয়ঙ্কর বিষয় যা পটা ও ঝন্টুকে ব্যাপকভাবে আতঙ্কিত করে তুললো।
কামরান চোখদুটো বড়ো বড়ো করে বলল, আমরা খুব বড়ো ভুল করে দিয়েছি ভাই । ঐ আঙটিটাতে আমাদের হাত দেওয়াই ঠিক হয়নি, আমার মনে হয় এটা একটা মরার আঙটি। যদি সত্যি সত্যি এটা মরার আঙটি হয় তাইলে আমরা তিনজনাই শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়ে মরে যাবো । সবার আগে আমাদের হাতগুলো কালো হয়ে যাবে, তারপর আস্তে আস্তে হাতগুলো শুকিয়ে যাবে । তারপর গোটা শরীরটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাবে । তারপর আমরাও মরা হয়ে যাবো ।
এই কথাগুলো শুনে ঝন্টুর মুখটা আরো ফ্যাকাশে হয়ে গেল । এমন সময় পটা কম্পিত স্বরে বলে উঠল, "এটা মরার আঙটি কি করে হবে, এইটা তো আর মরা ঘরে পাইনি, এটা তো এই কদমগাছের গোঁড়ায় পেলাম । তুইও তো নিজের চোখে দেখলি !"
কামরান বলল, "মরা ঘরটা এখান থেকে কতদূর শুনি । খুব বেশি হলে একশো পা কি দুশো পা, তার বেশি হতেই পারে না । মরা ঘরের একটা মরাও কি এই কদমগাছটাই ঠাঁই নেবেনা, নিশ্চয় নেবে । আর ঐ মরাটার হাত থেকে নিশ্চয় এই আঙটিটা খসে পড়েছিল । যেহেতু সবার আগে ঝন্টু আঙটিটাতে হাত লাগিয়েছে তাই সবার আগে ঝন্টুর হাতটা কালো হয়ে শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাবে, তারপর ধীরে ধীরে ঝন্টুও মরা হয়ে গিয়ে এই কদমগাছেই ঠাঁই লিবে । তারপর তুই আর আমিও মরা হয়ে যাবো ।"
- এই বলে একদৃষ্টিতে কামরান দৃঢ়ভাবে ঝন্টুর দিকে তাকাতে লাগল । ঝন্টুর ফ্যাকাশে মুখটার দিকে আর তাকানো যায় না, এমনই অবস্থা তার । ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে ঝন্টু পটার গা ঘেঁসে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল কিন্ত মুখে রা উচ্চারণও করল না ।
পটাও ভীত-তটস্থ হয়ে একে অপরের দিকে চোখাচোখি করতে লাগল ।
এমন সময় হঠাৎ ভাঙা ভাঙা কন্ঠে ঝন্টু বলল, "পটা আমার খুব ভয় লাগছে ভাই ! এবার কি হবে রে ভাই !"
পটা বলল, "আঙটিটা যেখানে পেইছিলি সেইখানেই রেখে দিই চ্ । তাইলে আর কিছু হবে না - বল ভাই কামরান !"
কিন্ত কামরান কিছুই না বলে গম্ভীরভাবে কদমগাছটার দিকে মুখ করে ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইল আর যেন কিছু একটা ভাবতে লাগল । তারপর হঠাৎকরেই বলে উঠলো, অত সহজে মরার হাত থেকে রেহাই পাবিনা ঝন্টু । এটা কোনো ছেলে খেলামি নয় বুঝেছিস্ ! দাঁড়া আমাকে ভাবতে দে । কি করা যায়, কিভাবে মরার হাত থেকে বাঁচা যায় তা আগে ভাবি !
পটা বলল, হ্যাঁ ভাই ! তুই তাড়াতাড়ি কিছু একটা কর ! আমাদের খুব ভয় লাগছে ভাই !
ঝন্টু বলল, "আমার ডান হাতটা চুলকাচ্ছে কেনে ভাই !"
কামরান বলল, "আর কি কি হচ্ছে ঠিক করে বল্ ঝন্টু !"
"হাতটা অবশ অবশ পারা লাগছে", ঝন্টু বলল ।
পটা বলল, "তাড়াতাড়ি কিছু কর কামরান !"
কামরান বলল, আমার সাথে এক্ষুনি চল্লিশপীড় আস্তানা চল্ তবে !
তারপর ওরা তিনজনাই চল্লিশপীড় আস্তানার দিকে দৌঁড়তে লাগল । আস্তানাটা খুব কাছেই, দৌঁড়ে গেলে আধা মিনিটও লাগে না । বাবুরবাগের বহু পুরোনো একটা আস্তানা । আস্তানার উত্তরদিকে বিরাট একটা বটগাছ তার অসংখ্য ঝুরি নিয়ে গোটা আস্তানা জুড়ে জাঁকিয়ে রয়েছে । আস্তানায় পৌঁছতে তাদের সত্যি সত্যিই আধা মিনিটও লাগল না । সবার আগে ঝন্টু পৌঁছে দুই হাত হাঁটুতে রেখে হাঁপাতে লাগল, পটা ও কামরানও আস্তানায় এসে যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল ।
তারপর কামরান বলল, "ঝন্টু তাড়াতাড়ি মাজার থেকে ধূলফূল লে, দিয়ে ভালো করে হাতের কনুই অবধি মেখে লে ভাই ! আমরাও মেখে লিচ্চি !"
- এই বলে সবাই মিলে আস্তানায় পড়ে থাকা ধূপের ছাই অর্থাৎ ধূলফূল হাতে নিয়ে ভালোমতো করে গোটা হাতে মেখে নিল । পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হাতগুলো নোংরা বিচ্ছিরি কালো মতো হয়ে গেল । তারপর কামরান চল্লিশপীড় বাবার কাছে হাতজোড় করে কোনো শব্দ না করে বিড়বিড় করে দোয়া করতে লাগল । কামরানের দেখাদেখি ঝন্টু ও পটাও প্রার্থনা করতে লাগল । তারাও বিড়বিড় করে কি যে বলল, তাদের একে অপরের কেও তা বুঝতে পারল না ।
তারপর কামরান বলল, চ্ এবেরে হাতগুলো ভালো করে দুয়ে নিই !
আস্তানার পাশেই বড়ো একখানা পুকুর, নাম ধানকলের পুকুর । এখন মেডিকেলের আন্ডারে হলেও শোনা যায় কোনো এক সময় এখানে ধানের কল-কারখানা ছিল । তড়িঘড়ি তিনজনাই পুকুরঘাটে এসে হাজির হল । ঘাটে এসেই ঝন্টু এক হাঁটু জলে নেমে গেল আর জলে নেমেই ঝপাং-ঝপাং-সড়াৎ-সড়াৎ নানানরকম শব্দ করে হাতমুখ ধোয়া শুরু করে দিল । পটা ও কামরান জলে নামল না কিন্তু ঘাটে বসেই ধূলফূলমাখা হাতগুলো ভালো করে ধুয়ে নিল ।
হাত ধোয়া হলে পরে কামরান বলল, "ভাই... ! আমাদের আর কোনো চিন্তা নাই ! মরা ঘরের মরা আমাদের আর কিচ্ছু করতে পারবে না ।
পটা বলল, তুই ঠিক বলছিস্ তো ভাই ! আর কোনো টেনশেন নাই তো ভাই !
কামরান বলল, উঃ হুঃ !
ঝন্টু কিন্তু কোনো প্রশ্ন করল না । কামরানের কাছ থেকে যেন এই হ্যাঁবাচক উত্তরটার অপেক্ষাতেই ছিল এতক্ষণ । কামরানের উঃ.. হুঃ.. তেই ঝন্টু এই ভয়ঙ্কর ঝঞ্ঝাট থেকে রেহাই পেল ।
লেখক - আলীম বাবু
About বাংলা গল্পসল্প
Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates.
Related Posts:
শিশু সাহিত্য
Labels: photos
ঝন্টু ও ঝঞ্ঝাট,
শিশু সাহিত্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)


No comments:
Post a Comment